দুই বছর পর গাজার রাফাহ ক্রসিং খুলতে সম্মত ইসরাইল
দীর্ঘ দুই বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর অবশেষে গাজা ও মিশরের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত রাফাহ ক্রসিং খুলে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইসরাইল। ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ জানায়, আগামী রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাফাহ ক্রসিং পুনরায় খুলে দেয়া হবে। গাজার বাসিন্দাদের জন্য- বিশেষ করে রোগী ও আহতদের চিকিৎসা গ্রহণের ক্ষেত্রে- রাফাহ ক্রসিং দীর্ঘদিন ধরে বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে পরিচিত।
দক্ষিণ গাজার রাফাহ শহরে সামরিক অভিযানের পর ২০২৪ সালের মে মাসে ক্রসিংটির নিয়ন্ত্রণ নেয় ইসরাইল। এরপর সেটি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর ফলে গাজা উপত্যকা আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং মানবিক সংকট মারাত্মক আকার ধারণ করে।
দীর্ঘ দুই বছর পর আবারও গাজা-মিশর সীমান্তের এই ক্রসিং খুলতে যাচ্ছে। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার দ্বিতীয় পর্যায়ের অংশ হিসেবেই রাফাহ ক্রসিং পুনরায় চালু করা হচ্ছে।
এদিন গাজায় বেসামরিক নীতির সমন্বয়কারী ইসরাইলি সরকারি সংস্থা সিওজিএটি (COGAT) জানায়, রোববার থেকে ক্রসিংটি খুলে দেয়া হবে। তবে গাজার ২০ লাখেরও বেশি মানুষের মধ্যে প্রতিদিন কতজন সীমান্ত অতিক্রম করতে পারবেন, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা জানানো হয়নি।
সিওজিএটি আরও জানায়, যুদ্ধের সময় যারা গাজা ছেড়ে মিসরে গিয়েছিলেন, শুধুমাত্র তারাই নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে গাজায় ফিরতে পারবেন। এই প্রত্যাবর্তন মিসরের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে অনুমোদন দেওয়া হবে। তবে গাজায় ফেরার আগে প্রত্যেককে ইসরাইলের পূর্বানুমোদিত নিরাপত্তা ছাড়পত্র নিতে হবে বলে জানানো হয়েছে।





































